অবসাদ (Fatigue)
- Get link
- X
- Other Apps
অবসাদ (Fatigue)
বর্ণনা
প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তিই অবসাদ বা ক্লান্তিতে ভুগে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাময়িকভাবে দেখা দেওয়া অবসাদের একটি নির্দিষ্ট কারণ থাকে। চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
তবে অবসাদ ক্রনিক রূপ ধারণ করলে তা দীর্ঘ সময় ধরে তীব্ররূপে দেখা দেয়। এই সমস্যার কারণে দুর্বলতা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং শরীরের শক্তি ও মানসিক দক্ষতা কমে যায়। আক্রান্ত ব্যক্তির মানসিক সুস্থতাকেও অবসাদ প্রভাবিত করে।
অবসাদ ও তন্দ্রাচ্ছন্নতা ভিন্ন ভিন্ন সমস্যা, তবে অবসাদের সাথে অনেক ক্ষেত্রে তন্দ্রাচ্ছন্নতা দেখা দেয়। এছাড়া অনেক সময় অবসাদের সাথে সাথে কর্মবিমুখতাও সৃষ্টি হতে পারে।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে শারীরিক কোনো সমস্যার লক্ষণ হিসেবে অবসাদ দেখা দেয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু দৈনন্দিক কাজ করার ফলে অবসাদের সৃষ্টি হয়।
কারণ
বিভিন্ন কারণে এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন-
সংশ্লিষ্ট লক্ষণসমূহ
এই লক্ষণের সাথে অন্যান্য যে সকল লক্ষণ দেখা যেতে পারে সেগুলো হলো:
ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়
অবসাদ কোনো রোগ নয়। কিছু শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসা ও ব্যক্তিগত অভ্যাসের জন্য অবসাদ হতে পারে। যেমন-
- অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট (antidepressant), অ্যান্টিহিস্টামিন (antihistamine), ব্যথানাশক ও বমি বমি ভাব রোধ করে এমন ঔষধ গ্রহণ।
- কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশনের মতো চিকিৎসা গ্রহণ।
- বড় ধরনের কোনো সার্জারি থেকে সেরে ওঠা।
- উদ্বিগ্নতা, চাপ (শারীরিক ও মানসিক) ও বিষণ্নতা।
- রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকা।
- মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইনপূর্ণ পানীয় পান।
- অন্তঃসত্ত্বা হওয়া।
যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে
লিঙ্গঃ নারীদের মধ্যে এই লক্ষণ দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা থাকে। পুরুষদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম।
জাতিঃ শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা থাকে। কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক এবং অন্যান্য জাতির মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
উত্তরঃ দুর্বলতা ও অবসাদ গভীরভাবে জড়িত। কোনো ব্যক্তির শরীরের শক্তি ক্ষয়ে যাওয়ার কারণে দুর্বলতা সৃষ্টি হতে পারে। বিভিন্নরূপে এই সমস্যা দেখা দেয়, যেমন- কাজ করার সময় ব্যথা অনুভব করা, মনোযোগে বিঘ্ন ঘটা ও মানসিক অবস্থার ব্যাঘাত ঘটা ইত্যাদি। দুর্বলতার কারণে সমগ্র শরীর প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া দুর্বলতা একজন ব্যক্তির কাজের দক্ষতা ও সামাজিক জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে।
হেলথ টিপস্
জীবনযাত্রার কোনো ত্রুটির ফলে যদি অবসাদের সৃষ্টি হয়, তাহলে কিছু বিষয় অনুসরণ করে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব-
- স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।
- নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
- পর্যাপ্ত সময় ধরে ঘুমান।
- যোগব্যায়াম চর্চা করুন।
- শারীরিক চাপ বৃদ্ধি করে এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন।
- ধূমপান ত্যাগ করুন।
- মাদকদ্রব্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
- www.rxhealer.com
- Get link
- X
- Other Apps